পেঁয়াজের পাইকারি বাজারে দাম কমেছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা

পেঁয়াজের পাইকারি বাজারে দাম কমেছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা

দুই দিনের ব্যবধানে রাজধানীর পাইকারিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম কমেছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা। তবে খুচরা বাজারে দাম কমার তেমন প্রভাব নেই। এছাড়া অতি মুনাফার কারণে দাম বৃদ্ধির কথা স্বীকার করছেন আড়তদাররা। এ সংকটের জন্য সরকারের বিচক্ষণতার অভাবকেই দায়ী করছে ভোক্তা অধিকার সংগঠন-ক্যাব।

কয়েক মাস ধরেই দেশের বাজারে চলছে পেঁয়াজ সংকট। টানা দুই মাসে দাম বেড়ে বিক্রি হয়েছে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। অবস্থা নাগালের বাইরে যাওয়ায় সরকার তুরস্ক, মিশর, মিয়ানমারসহ কয়েকটি দেশ থেকে পণ্য আমদানি শুরু করে। এতে কিছুটা দাম কমতে শুরু করে পণ্যটির।

কারওয়ান বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, দুই দিনের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম ৮০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়। আর মিসর ও চীন থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

এছাড়া পাইকারি বাজারে কেজিতে ৮০ টাকা কমলেও খুচরা বাজারে কমেছে মাত্র ৩০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৯০ টাকা কেজিতে। মিয়ানমার, মিশর ও তুরস্কের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে।

খুচরা বাজারে দাম না কমায় ক্ষোভ জানিয়েছেন ক্রেতারা। এদিকে নিজেদের অতি মুনাফার কথা স্বীকার করছে পেঁয়াজ আমদানিকারক ও আড়তদাররা।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় ভারতের বিকল্প হিসেবে অন্য দেশ থেকে আমদানির সিদ্ধান্ত আরো আগেই নেয়া উচিৎ ছিল, বলছে ক্যাব।

এদিকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় রসুনের দাম ও কেজিতে বেড়েছে ১০টাকা পর্যন্ত।

খবরটি শেয়ার করুন...

Comments are closed.




© All rights reserved © 2018-20 boguratribune.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com