৯৯৯ এ একটি ফোন- জোরপূর্বক বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ

৯৯৯ এ একটি ফোন- জোরপূর্বক বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ

বগুড়া

২১ নভেম্বর সকাল ১১ টা ৪৩ মিনিটে শাহিদা (ছদ্মনাম) নামে এক কিশোরী নন্দীগ্রাম, বগুড়া থেকে ৯৯৯ এ ফোন করে জরুরী পুলিশী সহায়তা চান।
 
কিশোরী জানায় সে এবারের এস এস সি পরীক্ষার্থী ছিলো। কিন্তু তাকে বিয়ে দেয়ার জন্য তার পরিবার থেকে তার লেখাপড়া বন্ধ করে দেয়া হয়েছে । কিশোরী আরো জানায় তার বিয়ে ঠিক করা হয়েছে এলাকার মাস্তান প্রকৃতির বয়ষ্ক এক লোকের সাথে যে আগেও একটি বিয়ে করেছে এবং সে ঘরে তার একটি বাচ্চাও আছে। কিশোরী ৯৯৯ কে জানায় সে লেখাপড়া করতে চায়, তার বিয়ের বয়স হয়নি এবং সে তার চেয়ে অনেক বয়স্ক এক মাস্তান লোককে বিয়ে করতে চায়না। কিশোরী ৯৯৯ কে অনুরোধ জানায় তাকে এ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে তার জীবন রক্ষা করার জন্য। সে আরো জানায় এটি তার জীবন মরণের ব্যাপার।
 
৯৯৯ তাৎক্ষনিকভাবে শাহিদাকে (ছদ্মনাম) নন্দীগ্রাম থানার ডিউটি অফিসারের সাথে কথা বলিয়ে দেন এবং ৯৯৯ থেকে থানায় অনুরোধ জানানো হয় কিশোরীর বাড়ীতে একটি টীম পাঠানোর জন্য। সংবাদ পেয়ে নন্দীগ্রাম থানার এস আই আমজাদ ফোর্স সহ অবিলম্বে ঘটনাস্থলে যান।
 
পরবর্তীতে এস আই আমজাদ ৯৯৯ কে জানান তিনি ঘটনাস্থলে যান কিশোরীর সাথে কথা বলে ফোন নাম্বার দিয়ে আসেন। এস আই আমজাদ কিশোরীকে বলে আসেন জোর করে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হলে সে যেন তাকে অথবা ৯৯৯ এ ফোন করে। এস আই আমজাদ আরো জানান তিনি কিশোরীর বাবার সাথে কথা বলেন এবং কিশোরীর বাবা তার অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে এখন জোর করে বিয়ে দেবেননা বলে জানান। এস আই আমজাদ ফোনে পাত্রের সাথেও কথা বলেন এবং তাকে অপ্রাপ্তবয়ষ্ক কিশোরীকে বিয়ে না করার জন্য অনুরোধ জানান অন্যথায় আইন অনুযায়ী তিনি দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন। পাত্র জানান এ বিয়ে তিনি করবেননা।
 
৯৯৯ এ একটি ফোনে জোরপূর্বক বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ হয়।
 
তথ্য সূত্র: বাংলাদেশ পুলিশ মিডিয়া – পুলিশ হেডকোয়াটার্স

খবরটি শেয়ার করুন...

Comments are closed.




© All rights reserved © 2018-20 boguratribune.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com