‘কভিড-১৯ প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার জরুরি নয়’

‘কভিড-১৯ প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার জরুরি নয়’

কভিড নাইন্টিন প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার জরুরি নয় বলে জানিয়েছেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এবিএম আবদুল্লাহ। তবে জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া জ্বর, শুকনো কাশি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যেতে বলেছেন তিনি।

কভিড-১৯ প্রজাতির মাত্র ৭টি ভাইরাস মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে এ ভাইরাস একজন থেকে আরেকজনে ছড়ায়। জ্বর বা ঠান্ডা লাগার মতোই এ ভাইরাস ছড়ায় হাঁচি-কাশির মাধ্যমে।

আইইডিসিআর বলছে, আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে কমপক্ষে দুই হাত দূরে থাকতে হবে। করমর্দন ও কোলাকুলি পরিহার করতে হবে, বারবার সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বরেন, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা, অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা যাবে না। গণপরিবহন পরিহার করতে হবে। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে, নাক ও মুখ ঢেকে রাখতে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে, পরিবারে কারো জ্বর হলে শিশুকে দূরে রাখতে হবে।

তবে কভিড প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার জরুরি নয় জানিয়ে তিনি বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্যদের মাস্ক পরে ঘুরে বেড়াতে হবে এমন নয়। কেউ আতঙ্ক ছড়াবেন না, মাস্কের জন্য দোকানে গিয়ে ভিড় করার দরকার নেই। এতে শুধু মাস্কের দাম বেড়ে যাচ্ছে, একটার দাম ১০ গুণ হচ্ছে। এটা এড়িয়ে চলাই ভালো।

”তবে আক্রান্ত ব্যক্তি অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন এবং একই মাস্ক ব্যবহার করে রেখে দিয়ে আবার পরবেন তা নয়। আরেকবার ব্যবহারের আগে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।”

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কভিড প্রথম লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। তারপর দেখা দেয় শুকনো কাশি। এক সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট। ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে ২ থেকে ১৪ দিন লাগে।

আইইডিসিআর জানিয়েছে, রাজধানীর উত্তরার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল করোনা আক্রান্তদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া, জেলা-উপজেলাসহ সব হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন...

Comments are closed.




© All rights reserved © 2018-20 boguratribune.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com