দীপান্বিতা : আত্মদর্শনের জ্যোতির প্রতীক

দীপান্বিতা : আত্মদর্শনের জ্যোতির প্রতীক

চিত্তরঞ্জন সরকার (ধ্রুবালোক )

বিশ্ব আলোকিত কর প্রভূ, অন্ধকার নাশ করি।
সকল সত্ত্বাকে শুদ্ধতম করো, অসৎ কে হরি।।
আধ্যাত্মিক জ্যোতিতে করোহে আত্মার প্রকাশ।
পরমাত্মার সঙ্গে ঐক্যে,যেন ব্রহ্মলীনে উচ্ছ্বাস।।

শ্রীরামচন্দ্রের চৌদ্দ বছর বনবাস কালে।
অযোধ্যা হয়েছিল শোকার্ত, রাম নেই বলে।।
দশানন বধি সীতালক্ষ্মী নিয়ে যদ্যপি ফিরিল।
সারা রাজ্যে প্রজাগণ ঘৃতপ্রদীপ প্রজ্বালিল।।
মিষ্টিমুখ করিয়ে সবে মহোৎসব আরম্ভিল।
সাড়ম্বরে আলোকসজ্জায় অপার সুখ উপজিল।।

সারি সারি প্রদীপের আলোয় অন্ধকার নাশি।
অমরপুরের দেবতাগণ নেমে আসেন হাসি।।
আকাশপ্রদীপ দর্শন-পথে পিতৃপুরুষের ধরায় আগমন।
যমলোক হতে মর্তে আসে,গ্রহীতে আদ্যশ্রাদ্ধ-তর্পণ।।

ধনতেরাসের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় দীপাবলি।
দীপালিকা,সুখরাত্রি, দীপান্বিতা,কেউ বলে দেওয়ালী।।
কোথাওবা সুখসুপ্তিকা বা যক্ষরাত্রি নামেতে প্রসিদ্ধ।
ন্যায়ের সমৃদ্ধি আনে সকল অন্যায়কে করে বিদ্ধ।।

দুর্গোৎসবের আঠারো দিন পরে দীপায়ন শুরু।
উপনিষদের শান্তিবাক্যে পৃথ্বী কল্যাণ কল্পতরু।।
তিথি অনুযায়ী অমাবস্যায় শ্যামা মায়ের পূজা।
অগ্নির সপ্তম জিহবা,আদিশক্তি,কালীমাতার ইজ্যা।

মঙ্গলালোকে আনন্দালোকে ভাসুক ত্রিভুবন।
সদিচ্ছাগুলো পূর্ণ হোক, ঈশ্বরমুখী হোক সর্ব্বজন।।

খবরটি শেয়ার করুন...

Comments are closed.




© All rights reserved © 2018-20 boguratribune.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com